শুক্রবার, ২৯ নভেম্বর, ২০১৩

সমস্ত শীত জুড়ে কোকিল অপেক্ষা করে
কখন আসবে বসন্ত…
কখন ডাকবে তার কোকিলা
সেই চির-চেনা সুরে..…

ভালবাসতে শেখো…

কে তোমাদেরকে ভালোবাসতে শিখিয়েছে? 
কে বুঝিয়েছে ভালবাসলে ঝগড়া লাগতেই পারে? 
মান-অভিমান আর ঝগড়া এক নয়.… 
তোমরা যারা ভালবাসার পর একে-অপরে ঝগড়াও করো তারা আসলে ভালবাসতেই শেখোনি… 
তোমরা সবাই সমঝোতার সম্পর্কে আবদ্ধ… সমঝোতা আর ভালবাসা এক নয়… ভালবাসলে শুধু ভালোই বাসা যায়..……
সবাই ভালবাসতে শেখো…
তোমাদের জন্য শুভকামনা.…

পাগল

পাগল

জগত সংসারে পাগল হওয়া কাজটা যতটা কঠিন তার চেয়ে বেশি দুঃসাহসিক এবং সরল… শুধুমাত্র সত্যান্নেসী হবার কারনে পাগল কথাটি শুনতে হয়েছে সয়ং সক্রেটিসকেও… মিথ্যে অহমিকাতে ভরা এই প্রিথিবীতে সদা সত্য কথা বলাটা পাগলামী ছাড়া আর কিছু মনে করেনা সমাজ… সত্য বলবার সুবিধা তারা কখনই গ্রহনের চেষ্টা করেনা… তারা মিথ্যাই ভরসা রাখে.… সাময়িক সুবিধার জন্য সমঝোতা করে নেয় মিথ্যের সাথে.… সবাই জানে সত্যই সুন্দর.… তবু সত্য বলতে গিয়ে, সত্য পথে চলতে গিয়ে আটকে যায় নিজেকে পাগল ভেবে.… 
তাই বলে কি থেমে যাবে সত্যের পথ চলা? 
না…
কারন সত্যই সুন্দর, সত্যই আলো… তার এ পথচলাও তাই চিরন্তন…

বুধবার, ৯ অক্টোবর, ২০১৩

ফড়িং মনের মানুষ

ফড়িং যেমন একই শাখায় দীর্ঘখ্হন অবস্থান করেনা, তেমনি কিছু মানুষের মন একরকম কাজ বা চিন্তায় স্থায়ী হতে চায়্না। 
এই ধরনের মানুষকে আমি বলি ফড়িং মনের মানুষ। 
সপ্নরাংা ফড়িং মন একইসময়ে সব ফুলের-ফলের-শাখার ঘ্রান আস্সাদন করতে চায়..…

বেঁচে থাকা

তেলাপোকার মত বেঁচে থাকার চেয়ে প্রজাপতির মত মরে যাওয়া অনেক ভাল…

ছোট পাখি

মেঘ-সূর্যের আলিংগনে দিশেহারা ছোট পাখি,

কাকের দেশে রংধনু দিয়ে মিলন-সপ্ন আকি। 

ও নীল আকাশ তোমার কেন
সজল হল আখি? 
ছাই-বরন ছোট্ট পাখির প্রেমে পড়লে নাকি? 
আমি ই তোমার পাখি হব,
আর দিওনা ফাকি..…

কবিতা, কেমন আছ তুমি?

কবিতা,
কেমন আছ তুমি? জানি জবাব দেবার ফুরসত তোমার নেই, তবুও বড্ড জানতে ইচ্ছে করে কেমন আছ? কোথায় আছ? আমি ভাল নেই। তুমি ছেড়ে যবার পর আর আমি প্রেমে পড়িনি, বিশ্বাস কর আমি ভুলে গেছি ভালবাসতে... কাঁদতে... হারিয়েছি পূর্ণতা...
ফিরে এসো প্রিয়া, ফিরে এসো আমার হ্রিদয়ে-মননে... আবার আমি ভালবাসতে চাই... কাঁদতে চাই... 

ইতি
তোমার 
.............................................

অবিলম্বে নিষিদ্ধ করা হোক...

অবিলম্বে আমাদের পাঠ্যপুস্তকে পরিবর্তন আনার দাবী জানাচ্ছি... এবং আমাদেরকে এতদিন যাবত বিভ্রান্ত করার অপরাধে বিদ্যালয়, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় সমূহের সকল শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে শরিয়ত মোতাবেক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হোক... শিক্ষাব্যবস্থা প্রবর্তন ও পরিচালনা সহ পূর্বোক্ত অপরাধে স্বাধীনতা পরবর্তী সরকার সমূহকে নিষিদ্ধ করা হোক...

যে সমস্ত বিষয় জরুরি ভিত্তিতে বন্ধ করা প্রয়োজন তার অল্প কিছু উল্লেখ করছি...

দর্শন
পদার্থ বিজ্ঞান
রসায়ন
যুক্তিবিদ্যা
মনোবিজ্ঞান
বাংলা (অবশ্যই সকল নাস্তিকদের লেখা বই সমূহ)
আইন
ইংরেজি

আর উল্লেখ করলাম না

কেননা এ সকল বিষয় পড়লে আমাদের মনে বিভিন্ন প্রশ্নের জন্ম নেয়... যার কোন শরিয়ত-বান্ধব যোক্তিক উত্তর পাওয়া যায় না...অর্থাৎ ইহা শরিয়তের পরিপন্থী... তাই এ সমস্ত বিষয় অবিলম্বে নিষিদ্ধ করা হোক...

যেতে চাই বহুদূর..

নিরপেক্ষতার মুখোশ থেকে মুক্ত হয়ে সত্যের পথে এগিয়ে যেতে চাই বহুদূর... যেখানে যুক্তির ঘনঘটা ধর্মের বিষাদময়তাকে অতিক্রম করেছে ভালবেসে...

*ডায়েরী থেকে*

*ডায়েরী থেকে*

রাত এখন দেড়টা । খুব ইচ্ছে করছে গলা ছেড়ে কবিতা আবৃত্তি করি । কিন্তু সমাজ-বিধির পথ এক্ষেত্রে ভিন্ন । নেই আমার এই সঙ্গত মনোবাসনা পূরণের বিন্দুমাত্র অধিকার । সবাই এখন সারাদিনের ক্লান্তি মুছে ফেলতে গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন । ভাবছি, যদি পাখি হতাম; স্বাধীনতার সংজ্ঞাটাকে উল্টে দিয়ে শুরু করতাম রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, সুনীল কিম্বা অন্য যে কারো সুন্দর কোনো কবিতা – যা আমার হৃদয় কে স্পর্শ করে । 

_ আরে ধ্যাত, কি ভাবছি এসব এই রাত্রি দ্বিপ্রহরে ! পাখি হলে কি আসলেই কবিতা আবৃত্তি করতে পারতাম ? হয়তো পারতাম হয়তোবা পারতাম না । তবে এখন মানুষ গর্ব এইটুকুই যে, অন্তত ইচ্ছেটাকে তো প্রকাশ করতে পারছি !

স্বপ্নবিলাসী মানুষ

বৃষ্টিস্নাত ঘুমহীন রাতের পর আবার সকাল............... 
বিরামহীন এই বৃষ্টি 
আর 
"বিরামহীন জেগে থাকা... 
স্বপ্নবিলাসী মানুষ ঘুমিয়ে স্বপ্ন দেখেনা... 
তাই সে জেগে থাকে আর স্বপ্ন বোনে... 
নির্ঘুম ধোঁয়াটে চোখে... "

শুভ বন্ধুদিবস...

জীবন যেখানে মুহূর্ত-সম
স্বর্গ সেখানে স্বপ্ন-সম
স্বপ্নগুলো সঙ্গীকামী
স্বপ্নস্বর্গে তুমি আর আমি
আমি আর আমরা... 

শুভ বন্ধুদিবস...

প্রিয় বন্ধু তুমি ছাড়া আমার জীবন স্বর্গহীন............

waiting

when all the birds are sleeping, 
when all the rivers flowing,
when all the stars are lightening; 
then I'm here for you still waiting.....

ঘুমুতে চাই

ঘুমিয়ে পড়েছিলাম... 
হঠাত ঘুম ভেঙ্গে দেখি 
তোমার হাত আমার কপালে নেই... 
জ্বর আসছে আরো শক্তি নিয়ে
দীর্ঘক্ষণ নিজের সাথে যুদ্ধ করে
ফিরে এলাম আবারো 

প্রিয়তমা আবার কপালে হাত রাখো 
বিশ্বাস করো আমি ঘুমুতে চাই 
তোমার শীর্ণ আঙ্গুল 
অনুভব করতে চাই
ভালবাসতে চাই
শুধু তোমাকে......

শুভরাত্রি

প্রিয়তমা, 
আমাকে যদি ছবি দেখে ভাল লাগে তবে সেটা ভালবাসা নয় ভাললাগা... 
যদিও আমার মনে হয়না যে আমার ছবি দেখেই তুমি আমাকে ভালবাস... আর সে জন্যই ভালবাসি তোমাকে... 
বাস্তবতার নিরিখে ভেবে দেখ সিদ্ধান্ত নাও ...
অনেক কষ্টের পথ হয়তো পাড়ি দিতে হবে... 
আমি ভেবেছি... 
অনেকখানি... 
আমি মানিয়ে নেব... আমার মত করে...
একা কেঁদো না... অসুবিধা বইলো... পাশে থাকব... 
কথা দিচ্ছি... আর আমার কথা মানে কাজ...
হ্যাঁ মেয়ে অনেক আছে প্রেম করবার... কিন্তু আমার প্রেমিকা দরকার না ...
আমার চেহারা আকর্ষণীয় না হলেও এটুকু বুঝি যে,
ঐ সমস্ত মেয়েদের সাথে প্রেম করার জন্য চেহারা লাগেনা... কথা বলা লাগেনা ... 
ওরা এমনি তেই রাজি ...

কনফিউসড হইয়ো না... প্রয়োজনে বুঝমান কারো পরামর্শ নাও...
নিছক ফেসবুক এর ভার্চুয়াল প্রেম হলে না করাই শ্রেয় বলে আমি মনে করি...
আর যদি ভালবাসে শুধুমাত্র ভয়ে পিছিয়ে যাও তাতে তুমিও কষ্ট পাবে এবং আমিও... 
কারন ভালবাসা হয়তো কস্ট ও দেয়... দয়া করে এমন করোনা... 

সমস্যা আছে বুঝি...
আমাকে বইলো তারপর দুজন মিলে সেটা উত্তরণের চেষ্টা করব... 
তোমাকে বলেছি ভালবাসি... আর আগেই বলেছিতো আমার কথা মানে কাজ... 

অন্যকে প্রশ্ন না করে নিজেকে প্রশ্ন করো সব উত্তর পেয়ে যাবে... 
নিজেকে জানার চেষ্টা করো সোনা ...
আমি তোমাকেই ভালবাসি... যেকোন পরিস্থিতিতে... 
সবসময়...

তোমার মন খারাপ তুমি কাদছো আমি জানি এটা... 
কারন তুমিও আমাকে ভালবাস... 
আমি কাঁদতে পারছিনা তাই নিচে গিয়ে এখন ১ প্যাকেট সিগারেট আনবো... 
তুমি কাদবে আর আমি সারারাত নির্ঘুম সিগারেট খাবো... 
তাতেও যদি একসাথে কস্ট নিয়ে জেগে থাকা যায়... !!!

... ভালবাসি হেম তোমাকে অনেক ভালবাসি... 
আমার সারা পৃথিবীকে জানিয়ে শুধু তোমাকেই ভালবাসতে চাই...

শুভরাত্রি


তোমাদের প্রতি নিবেদনঃ

তোমাদের প্রতি নিবেদনঃ 

সভ্য-অসভ্য, শিক্ষিত-অশিক্ষিত-স্বশিক্ষিত 
সৎ-অসৎ, ধনী-দরিদ্র-মধ্যবিত্ত 
হোক সে নারী-পুরুষ বা শিখন্ডী
মানুষকে মানুষ ভাবতে শেখো । 

সাম্প্রদায়ীক ছেলে বা মেয়ে নয় 
বুদ্ধিদীপ্ত মানুষ হয়ে ওঠো ।

উদ্ভ্রান্ত স্বপ্ন - কালের রাখাল

উদ্ভ্রান্ত স্বপ্ন

- কালের রাখাল

একদিন দেখি হাটছি আমি
নীল নীলিমার ধোঁয়ায়;
শরত মেঘের ভাঁজের ফাঁকে
হঠাত দেখি তোমায় !

উঠলো হেসে হৃদয় আমার
দেখে কাজল আঁখি;
সাদা মেঘের নীড়ের ভীড়ে
ফিরছে আমায় ডাকি?

পিছন ধেয়ে চলছি তোমার
কাটছি মেঘের পথ;
তুমি আমায় ডাকছো তবু
ছুটছে তোমার রথ !

অল্প আলোয় কল্প বাঁধি
নিঃশ্বাসেতেই ভরসা রাখি;
শুনবো তোমার চোখের ভাষা
এটাই মনের তপ্ত আশা ।

হ্যাঁচকা টানে থামিয়ে দিলাম
তোমার স্বর্গরথ;
অশ্ব-সকল দিলাম ছুটি
নিকটগামী তোমার টুটি ।

ছুয়ে দেব তব ওষ্ঠ-কম্প
নয়ন আমার দৃঢ়-প্রতিজ্ঞ ।
হঠাত বুঝি অগ্নি কোথায়?
ঘুম ভেঙ্গেছে কিরন ছটায় ।

অতঃপর বুঝলাম

এ ছিল উদ্ভ্রান্ত স্বপ্ন এক ।  

সোমবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৩

ফেসবুকিং বা ব্লগিং করার চেয়ে শিবির করা অনেক অনেক নিরাপদ।

■ আপনি যদি সরাসরি কোন সহিংসতায় অংশগ্রহণ করেন, তাহলে পেনাল কোডের ১৪৭ ধারা অনুসারে আপনার সর্বোচ্চ শাস্তি হবে ২ বছরের জেল।
■ সহিংসতায় যদি কোন মরণাস্ত্র নিয়ে বের হন যা দ্বারা কাউকে হত্যা করা সম্ভব, তাহলে পেনাল কোডের ১৪৮ ধারা অনুসারে আপনার সর্বোচ্চ শাস্তি হবে ৩ বছরের জেল।
■ আর আপনি যদি ‘ওয়েব সাইটে’ এমন কিছু প্রকাশ করেন যা থেকে আইন শৃঙ্খলার অবনতি ঘটার ‘সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়’, তাহলে আইসিটি আইন অনুসারে আপনার শাস্তি হবে সর্বনিম্নে ৭ বছর থেকে সর্বোচ্চ ১৪ বছরের জেল এবং অনধিক এক কোটি টাকা জরিমানা!
বুঝতে পারলাম ফেসবুকিং বা ব্লগিং করার চেয়ে শিবির করা অনেক অনেক নিরাপদ।

ধোয়ার স্পর্শ

ধোয়ার স্পর্শ 


চাপা স্বভাবের মানুষ স্বচ্ছ । কাউকে মুখফুটে কিছুই বলতে চায় না। যা ঘটে তা সবসময় তাঁর মনের ভেতরে থাকে। একারণে এখন পর্যন্ত "প্রেম" নামে কোন জিনিস জীবনে আসেনি তাঁর। তাই পরিবারের লোকজন সিদ্ধান্ত নিল, এবার দেখেশুনে তাকে ফরজ কাজ করিয়ে দিতে হবে। অতি ধুমধামের সাথে মেয়ে দেখা হল। মেয়ের নাম তাসফি। গ্রামের মেয়ে। ঢাকায় এসেছে পড়াশুনা করতে। স্বচ্ছর সামনে যখন আনা হল, জুবুথুবু হয়ে বসেছিল। দেখে লাজুক স্বচ্ছ নিজেই লজ্জা পেয়ে যায়। মেয়ে তো কোন কথাই বলে না। দুজনকে এক কামরায় রাখা হল, কেউ কথা বলে না। মেয়েটা স্বচ্ছর দিকে তাকালো পর্যন্ত না। কিছুক্ষণ পর স্বচ্ছ তাঁর ঘটক ফুপাকে বলতে শুনলেন, ... " জামান সাহেব, মেয়েকে আমাদের খুব পছন্দ হয়েছে। আজ রাতেই কাবিন করে ফেলি, আসেন।" দু'ঘন্টা পর স্বচ্ছ আবিষ্কার করল, সে বিবাহিত। তাঁর ঘরে ফুলের বিছানায় একটা লাল বেনারসি শাড়ি পরা পুতুল বসে আছে। স্বচ্ছ সেই পুতুলের পাশে গিয়ে বসে। ইতস্তত করতে থাকে। হঠাৎ স্বচ্ছ শোনে মৃদু হাসির শব্দ। হাসিতে যেন কিছু কাঁচের চুড়ি ভেঙ্গে ভেঙ্গে পড়ছে। বিস্ময়ে স্বচ্ছ তাকায় সেই পুতুলের দিকে। ঘোমটা সরিয়ে তাসফি তাকে দেখছে। আহা ! কি সুন্দর চোখ। টলটলে নদীর মতন। কৃষ্ণগঙ্গার জল যেন স্বচ্ছর বুকে ঢেউ হয়ে ধাক্কা দেয়।
 - আপনি স্বচ্ছ ?
 - জ্বী।
- আমার স্বামী?
 - জ্বী।
 - সিগারেট খান?
 - জ্বী খাই।
 - ম্যাচটা দেন।
 হতবিহ্বল স্বচ্ছ প্যান্টের পকেট থেকে লাইটার বের করে এগিয়ে দেয়। তাসফি শাড়ির খুট থেকে একটা সিগারেট বের করে ধরায়। একটা টান দেয়ামাত্র কাশতে থাকে, "খুক খুক খুক" হাসতে হাসতে সিগারেট এগিয়ে দেয় স্বচ্ছকে । সেই কাঁচের চুড়ি ভাঙ্গা হাসি। সিগারেটে টান দেয় স্বচ্ছ । শেষ করার সাথে সাথে আবিষ্কার করে তাঁর ঠোঁটে আরেকটা ঠোটের স্পর্শ। এরপর দুটি শরীরের মিলনে কিভাবে যে রাত কেটে গেল, সে জানে না। সকালে উঠে যে দৃশ্য আবিষ্কার করে স্বচ্ছ , তা অনভিপ্রেত নিঃসন্দেহে। তাঁর চোখের সামনে ফ্যানের খুটি থেকে ঝুলছে তাসফি। লাল বেনারসি শাড়িটা তাঁর গলায়। স্বচ্ছর পাশে একটা চিঠিঃ
 "আমি একজনকে ভালোবাসতাম। আপনি খুব ভালো মানুষ। আপনাকে দুঃখ দিয়ে যাচ্ছি, আমি মরেও শান্তি পাব না। এক রাত কাটিয়ে বুঝলাম, দেহের মিলনে রাত কাটানো যায়, মনের মিলন না হলে ঘর করা যায় না। আমাকে মাফ করে দিয়েন।"
তাসফিকে তাঁর নিজ বাড়ির পাশে কবর দেয় স্বচ্ছ । কবর দেয়া পর্যন্ত একটি কথাও বলে না স্বচ্ছ । শুধু কবর দেয়ার পর তাঁর উপর একটা গোলাপ গাছের চারা লাগিয়ে যায়। প্রতিদিন তাতে পানি দেয়, আর বিড়বিড় করে কি যেন বলে। প্রতিবছর তাসফির মারা যাবার দিন, তাসফির ভালোবাসার মানুষ মাহফুজ আসে। তাঁর সাথে অনেকক্ষণ বসে গল্প করে মুখচোরা স্বচ্ছ । শেষবার মাহফুজ জিজ্ঞেস করেছিল,
-" ভাই, মৃত মানুষকে মনে করে আর কত কষ্ট পাবেন?"
স্বচ্ছ জবাব দিয়েছিল,
-" ভাই, তাঁর জীবনে আমি হয়তো প্রেম ছিলাম না, কিন্ত আমার জীবনের প্রথম আর শেষ, একমাত্র প্রেম ছিল সে, সে আমার তাসফি।"
 

শুক্রবার, ২৬ জুলাই, ২০১৩

মোবাইলে বাংলাতে লিখুন বাংলা পড়ুন সহজে...

আপনারা যারা মোবাইল থেকে ফেসবুক চালান বা ( ব্লগ দিয়ে ইন্টারনেট চালান :p) তাদের অনেকেই বাংলা তে স্ট্যাটাস দিতে পারেন না বা লিখতে পারেন না আমি এতদিন তাদের দলেই ছিলাম। আজ থেকে আমি মুক্ত ভাবে বাংলা লিখতে পারছি। আমি চাই আপনারাও সহজে মোবাইল থেকে বাংলা লিখুন।
এছাড়া অনেকে আছেন যারা বাংলা পড়তেও পারেন না । শুধু কিছু চারকোনা বাক্স দেখতে পান তাদের জন্য ও কার্যকর পরামর্শ দিব।
১. আপনার মোবাইল জাভা সাপোর্ট করে কি? যদি করে আপনি operamini ব্রাউজারটি ইনস্টল করে নিন।
২. এবার operamini ওপেন করুন। address বার এ লিখুন opera:config প্রবেশ করুন (go), তারপর scroll down করে দেখুন Use bitmap fonts for complex scripts অপশনটি তে yes নির্ধারণ করুন।
৩. scroll down করে Save বাটনে ক্লিক করে সেভ করুন। পেজটি থেকে বের হয়ে যান।
৪. এখন আপনি বাংলা লেখা পড়তে পারছেন।
৫. এবারে বাংলা লেখার জন্য আপনাকে অভ্র এর সহযোগীতা নিতে হবে।
৬. অপেরা start Page এ + চিহ্নিত জায়গায় নতুন একটি অ্যাড্রেস প্রবেশ করানwww.writebangla.com/WriteAvroPhoneticBangla.html পেজটি সেভ করুন ।
৭. banglish input box এ আপনার কাঙ্খিত লেখা বাংলিশ এ লিখুন (ফনেটিক এর নিয়ম অনুযায়ী, চাইলে keymap দ্যাখে নিতে পারেন ) convert Banglish to bangla ক্লিক করুন। read bangla output box এ দ্যাখে নিন লেখা সঠিক আছে কিনা।
৮. এবারে বাংলিশ এর নিচের বক্স এর চারকোনা ঘর গুলি সিলেক্ট করে copy করুন।
৯. অপেরাতে একসাথে অনেক ট্যাব খোলা যায়, আলাদা ট্যাব এ ফেসবুক ওপেন করুন বা আগে থেকেও ওপেন রাখতে পারেন। যেখানে লিখতে চান ( স্ট্যাটাস, কমেন্ট বা ব্লগ) যথাস্থানে copy করা চারকোনা ঘরগুলো paste করুন। এবার post করুন
১০. আপনি এখন বাংলা লিখতে পারছেন।

আপনাদের কে বাংলা ভাষায় স্বাগতম।
ধন্যবাদ।

শুক্রবার, ২৮ জুন, ২০১৩

ওরে বোকার দল স্বাধীনতার ঘোষক জিয়া এইডাতো আমিও কইতাছি...



ওরে বোকার দল স্বাধীনতার ঘোষক জিয়া এইডাতো আমিও কইতাছি... 
আমরা যখন ছোটো ছিলাম তখন এস. এস. সি. বা এইচ. এস. সি. পরীক্ষার আগের রাতে মাইকিং করা হত যে, পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে ২০০ গজ পর্যন্ত ১৪৪ ধারা যারি করা হল। ... 
যিনি এর ঘোষক ছিলেন তার নাম সেলিম, পেশায় রিক্সাওয়ালা । আমি জানি এবং মানি তিনিই ১৪৪ ধারা যারীর ঘোষনা ঐ রিক্সাওয়ালাই দিয়েছে। তবে আমি এটা যানি ১৪৪ ধারা যারীর অথোরিটি রিক্সাওলার নাই। ম্যাজিস্ট্রেট সাহেব নোটিশের মাধ্যমে ১৪৪ ধারা জারি করেন। সেই বার্তা দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি প্রচার এর ব্যবস্থা নেন...
এখন যদি কেউ দাবী করে ঐ রিক্সাওয়ালা ১৪৪ ধারা জারি করেছে তাহলে সেটা হাস্যকর নয় কি??
জিয়াউর রহমান এর কি স্বাধীনতা ঘোষণার অথরিটি ছিল! ছিলনা। তাই এটাও কি হাস্যকর নয়?

মঙ্গলবার, ১৮ জুন, ২০১৩

আমি...(THYSELF) - BY - খন্দকার রাকিব হাসান


আমি...
(THYSELF)

- খন্দকার রাকিব হাসান 

১

শরতের সন্ধ্যা। সূর্য অস্ত গিয়েছে অনেক আগেই। তবুও আকাশ এতটাই পরিষ্কার যেন এখনো সূর্যের রক্তিম আভাটা আকাশ কে বিদীর্ণ করে রেখেছে মহাসমারহে। সমান্তরাল দুটি লোহার পাতের উপর দিয়ে সন্ধ্যার চিলের মত ছুটে চলেছে সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেনটি।

এই জায়গাটি থেকে ট্রেন চলে যাওয়ার দৃশ্য হয়তো অনেকটাই আলাদা মুখরের কাছে। যেকোনো সন্ধ্যায় সময় পেলেই মুখর এখানে চলে আসে। কখনো একা কখনো তার সাথে আসে প্রতীক। প্রতীক আর মুখরের বয়সের পার্থক্য ৬ বছরের। তবুও ওরা বন্ধু-প্রতিম।

সদ্য জ্বলে ওঠা হলুদ সোডিয়াম বাতিগুলি হাল্কা গোলাপী আর সবুজ রং এর ধোঁয়া তুলে ঝিঁকিয়ে পড়েছে বদ্ধ জলাশয়ের কালচে পানিতে। মুখরের স্তব্ধ দৃষ্টি সেদিকেই নিবদ্ধ। জলাশয়ের কোল ঘেঁষে দাঁড়িয়ে থাকা নিথর লোহা-পাথরের রেল লাইনের উপর দিয়ে সরব উপস্থিতি জানিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেনটি। কালচে পানির উপর থেকে ট্রেনের দোদুল্যমান প্রতিবিম্ব ক্রমেই মিলিয়ে গেল।

কালচে পানির উপর ট্রেনের এই দোদুল্যমান প্রতিবিম্বের মাঝে মুখর নিয়তই  খুঁজে ফেরে ইট কাঠের এই ঢাকা শহরে তার জীবনের দোদুল্যমানতা।

- জানো প্রতীক আমার খুব ভাল লাগে ঝিকিমিকি আলো-আধারীতে ট্রেনের এই দোদুল্যমান অগ্রসরতা। আমার এই ভাল লাগা টুকুর জন্য টমাস আলভা এডিসন এর বাতি আর মারডক সাহেবের ট্রেনের কাছে আমি আমি খুবই কৃতজ্ঞ। কালচে জলাশয়ের জন্য অবশ্য সিটি মেয়র কে ধন্যবাদ দেয়া যায়। তবে...

- মারডক সাহেব ? ট্রেনের আবিষ্কারক ?

- হ্যাঁ, উইলিয়াম মারডক। স্কটল্যান্ডের বাসিন্দা। তাঁকে ঠিক আবিষ্কারক বলা যায়না, তবে তিনিই প্রথম ট্রেন নির্মাণ করেছিলেন। যদিও সেটা ছিল বাস্পচালিত প্রটোটাইপ মালবাহী ট্রেন । যতদূর সম্ভব ১৭৮৪ সালেই হবে।

- থাক থাক । আপাতত আর লাগবে না। এইবার কি এডিসন সাহেবের বাতির বর্ণিলতা ব্যাখ্যা করবেন নাকি গতির সূত্র ?

- খুব খারাপ লাগে যখন মনে হয় জলাশয়ের পানিতে ট্রেনের এই বর্ণিল অগ্রসরতা শুধুমাত্র ক্রমেই বিলীন হবার জন্যে।

- খারাপই যদি লাগে তাহলে এখানে আসেন কেন?

- কিছু কিছু খারাপ লাগার মধ্যে বিশেষ ধরনের আনন্দ থাকে, যা ঠিক কি ধরনের আনন্দ তার পছন্দসই ব্যাখ্যা দেয়া যায়না।

- যেমন?

- এই যেমন ধরো, ধূমপান করার পর একধরনের খারাপ লাগে, কিন্তু ধুমপানের মধ্যে বিশেষ ধরনের আনন্দ আছে। তবে, কি সেই আনন্দ তার ব্যাখ্যা দুঃসাধ্য।

- নেশা। আপনার এই ভাল লাগতে লাগতে খারাপ লাগাটা বোধ হয় এক ধরনের নেশা।

- হুম নেশা, নেশাই বটে।



২

“রাত এখন দেড়টা । খুব ইচ্ছে করছে গলা ছেড়ে কবিতা আবৃত্তি করি । কিন্তু সমাজ-বিধির পথ এক্ষেত্রে ভিন্ন । নেই আমার এই সঙ্গত মনোবাসনা পূরণের বিন্দুমাত্র অধিকার । সবাই এখন সারাদিনের ক্লান্তি মুছে ফেলতে গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন । ভাবছি, যদি পাখি হতাম; স্বাধীনতার সংজ্ঞাটাকে উল্টে দিয়ে শুরু করতাম রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, সুনীল কিম্বা অন্য যে কারো সুন্দর কোনো কবিতা – যা আমার হৃদয় কে স্পর্শ করে ।

_  আরে ধ্যাত, কি ভাবছি এসব এই রাত্রি দ্বিপ্রহরে !

পাখি হলে কি আসলেই কবিতা আবৃত্তি করতে পারতাম ? হয়তো পারতাম হয়তোবা পারতাম না । তবে এখন মানুষ হিসেবে গর্ব এইটুকুই যে, অন্তত ইচ্ছেটাকে তো প্রকাশ করতে পারছি !”

অনেকেই আছেন যারা ডাইরী লিখতে পছন্দ করেননা । আবার অনেকে রীতিমত ভয় পান । মুখর তাদের মধ্যে অন্যতম না হলেও একজন। ডাইরীটা গত জন্মদিনে উপহার পেয়েছে ।  আজ হঠাত চোখে পড়ায় লিখতে বসেছে। একেবারে প্রথমপাতায় । সাঁঝবাতি এর আগে অনেকবারই অভিমান করেছে তার দেয়া ডাইরীতে কিছু না লেখার কারনে। মুখর যথারীতি নির্লিপ্ত ই থেকেছে । মুখরের এই নির্লিপ্ততার কারনে সাঁঝবাতি যেন কোনক্রমেই অভিমান করে থাকতে পারেনা ।

মুখর সাঁঝবাতির নামটাকে ছেঁটে রূপ দিয়েছে সাঁঝি । যদিও এই সংক্ষিপ্ত নামকরণটি মোটেও পছন্দ নয় সাঁঝবাতির । কারন তার নিজের নামটি তার খুবই প্রিয়। তবে মুখর তার কাছে আরো বেশি প্রিয়। মাঝে মাঝেই অনেক আদর মাখা স্বরে সে সাঁঝি বলে ডাকে । তখন অবশ্য সাঁঝি নামটা তার ভালই লাগে। আসলে প্রিয় মানুষের অপ্রিয় কথা গুলিও মাঝে মাঝে কেন জানি মধুর লাগে ।

মুখর দ্বৈতসত্তার অধিকারী। কখনও আবেগপ্রবণ আবার কখনও বাস্তববাদী। ওর ব্যবহার ও চালচলনে কোথায় যেন একটা অদ্ভুত আকর্ষণ রয়েছে । আকর্ষণটা যে ঠিক কোথায় সম্পর্কের ৪ বছরেও তা আবিষ্কার করতে পারেনি সাঁঝি । সে সহজেই রেগে যায় আবার খুব কমসময়ে সবকিছু ভুলে যায় । আবার সব অবস্থাতেই নিজেকে খাপ খাইয়ে চলতে পারাটা অবাক করে সাঁঝিকে । বুদ্ধিবৃত্তিক যে কোনো বিষয়েই প্রবল আকর্ষণ মুখরের ।  তবে কোনো কিছুরই গভীর থেকে আরো গভীরে যেতে সে মোটেই পছন্দ করে না। আসলে মুখর একসঙ্গে অনেক কিছু করতে চায়, এতে দেখা যায় কোনো কিছুই শেষপর্যন্ত পূর্ণতা পায় না। মাঝে মাঝে মনে হয় একটা অস্থির মন ওকে তাড়া করে বেড়ায় । কিন্তু হঠাতই সবাইকে চমকে দিয়ে প্রফুল্ল হয়ে ওঠে ।

ওর চরিত্রের একটা বিষয়ে সাঁঝির প্রচন্ড হিংসা লাগে, সেটা হল অদম্য ইচ্ছেশক্তি । আর তা এতটাই প্রবল যে, যেকোন কিছুই শিখে নিতে পারে সাবলীলভাবে। সব সময়ই পরিবর্তন ও বৈচিত্র্যের প্রত্যাশী। মুখর তার উচ্চাভিলাষী জীবনকে বৈচিত্র্যময় করার জন্য যে কোনো কিছু করতেই আপত্তিহীন । এমনকি চতুরতা ও কূট-কৌশলের আশ্রয় গ্রহণ করতেও দ্বিধা করে না ।

এত কিছুর মধ্যেও মুখরের সঙ্গই সাঁঝির সবচেয়ে ভাললাগা। কেনই বা নয়?  একসঙ্গে অনেক বিষয় নিয়ে সামঞ্জস্যপূর্ণ, তথ্যবহুল এবং যৌক্তিক সর্বোপরি বাঙময় আলাপ-আলোচনায় মুখরিত করে রাখে সমস্ত সময়টা।



চলবে ...

সোমবার, ১০ জুন, ২০১৩

বাংলায় র্মাস্টাস (জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়) এর সিলেবাস

বাংলায় র্মাস্টাস (জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়) এর সিলেবাস
১০৫১
আধুনিক বাংলা কাব্যের বিশেষ যুগ
ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত, মাইকেল মধূদসুদন দত্ত, বিহারীলাল ও কায়কোবাদ = ৬০
জসিমউদ্দিন, জীবনানন্দ দাশ, সুকান্ত ভট্টাচার্য = ৪০

১০৫২
বাংলা গদ্য 
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, প্যারিচাদ মিত্র, বঙ্কিমচন্ত্র চট্টোপাধ্যায়, মীর মশারফ হোসেন = ৬০
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, প্রমথ চৌধুরী ও কাজী আব্দুল ওদুদ
অথবা বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপধ্যায়, মানিক বন্দোপাধ্যায়, সৈয়দ ওয়ালীওল্লাহ = ৪০

১০৫৩
রবীন্দ্রসাহিত্য ও বাংলালিপি
রবীন্দ্রকাব্য- বলাকা, সেঁজুতি, জন্মদিনে, শেষলেখা, যোগাযোগ ও কালান্তর = ৭৫
বালালীপির উদ্ভব ক্রমবিকাশ = ২৫

১০৫৪
নজরুল সাহিত্য ও বাংলা ভাষা 
নজরুলকাব্য- বিষের বাঁশি, সাম্যবাদী, সর্বহারা, সিন্দু-হিন্দোল
নজরুল গল্প ও প্রবন্ধ- মৃত্যুুধা, রিক্তের বেদন অথবা যুগবাণী, রজবন্দীর জবানবন্দী, দূর্দিনের যাত্রী = ৬০
বাংলা ভাষা ৪০

অনুশীলনী ৫০
মৌখিক ৫০